শিব ঠাকুরের অজানা ইতিহাস

মর্নিং ভিউ:– আজ শিবরাত্রি | ভগবান আছেন কিনা তা তিনি প্রমান না দিলেও মানুষ নিজেই তা দেয় | ভগবানের ইতিহাস অক্ষত থাকে যুগ যুগ ধরে | তাই সেই বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে ভগবান শিবের ব্রত উদযাপন |এই ব্রত শুধু বাংলায়ই নয়,পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত ধরে চলে মা-বোনেদের আরাধনায় পঞ্চমূখর হয়ে |আজ দুদিন ব্যাপী মা-বোনেরা এবং আপামর মানুষ তাই শিব ব্রত উদযাপন করে পৃথিবীকে বিভিন্ন কলুষিতার হাত থেকে রক্ষা করছে ,তাই দুদিন ধরে চলছে শিব চতুর্দশী ব্রত উদযাপন |
এমনই অনেক গল্প কাহিনী আছে যা পূরান সমৃদ্ধ হয়ে পৃথিবীর বুকে সাক্ষ্য হয়ে রয়েছে | বিভিন্ন মন্দিরে ,নগরে,বন্দরে এমনকি পাহাড় পর্বতের পূরাতন পাথরের গায়েও খোদাই চিহ্নে চিহ্নিত হয়ে রয়েছে স্বয়ং মহাদেবের আবির্ভূতের নানা কাহিনী | এমনই এক কাহিনীর নিদর্শণ পাওয়া যায় ইতিহাস ঘেঁটে |যা যুগ যুগ ধরে এখনও খোদাই করা আছে |
এরকমই এক মন্দির মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গবাদের রহস্যময় কৈলাস মন্দির |বিখ্যাত ইলোরা গুহার অন্দরে অবস্থিত এটি |এর অবস্থান ও নির্মাণশৈলী দেখে বিজ্ঞানীরাও হতবাক্ ! এত বছর পরেও এর নির্মাণকাল সম্পর্কে কোনও সঠিক তথ্য দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরাও |এটি সম্পূর্ণ একটি পাথর কেটে করা হয়েছিল ,যা পাথরের উপর থেকে নীচের দিকে কেটে তৈরী করা হয়েছিল | ইতিহাস বলে ,এটি তৈরী করতে সময় লাগে 18 বছর ,যা এক ব্রিটিশ পর্যটকের লেখা থেকে জানা যায় | তিনি এও বলেছেন যে,আরও এক রহস্যময় গুহাও তিনি দেখেছিলেন ,যেখানে 7 জন লোকের দেখা পান| তার মধ্যে 1 জন ছিলেন যাঁকে মাঝে মাঝে দেখা যেত আবার মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যেতেন | মনে করা হয় যে, এ সবই ভগবান মহাদেবের লীলা | এই স্থাপত্যটি বৃষ্টির জলে ভেজাতে পারে না |এই পাথরে এমনই গুণ রয়েছে যা বৃষ্টির জলকে শোষণ না করে অপসারিত করে দেয় | যার কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই | এমনই রহস্যে ঘেরা এই মন্দিরটি | এখানে প্রতিনিয়ত চলে স্বয়ং মহাদেবের পূজার্চনা |

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *