নির্বাচনে নিষিদ্ধ সিভিক ভলান্টিয়ার, মাথায় হাত পুলিশ অফিসারদের

মর্নিং ভিউ :– 2019,লোকসভা নির্বাচনে এবার নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিষেধাজ্ঞা রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রতি | এই আদেশ রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের চরম বিপাকের মুখে টেনে আনে | নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞায় রাজ্যের বেশিরভাগ অফিসার ইন চার্জদের কপালে চিন্তার বলিরেখা পড়তে শুরু করেছে | অধিকাংশের প্রশ্ন যে, নির্বাচন চলাকালীন থানার কাজ চালানো সম্ভব হবে কীভাবে ?
হিসাব অনুযায়ী , রাজ্যে প্রায় এক লক্ষ সাতাশ হাজার সিভিক ভলান্টিয়াররাই এই মূহুর্তে সরকারীভাবে গ্রামীন নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার রক্ষাকবচ | যান নিয়ন্ত্রণ থেকে মালখানার হিসেব রাখা ,সেরেস্তার কাজ বা থানার কম্পিউটার অপারেটরের কাজ,অপরাধীদের তুলে আনার কাজ অফিসারদের সাথে থেকে ইত্যাদী বিভিন্নমূখী পদক্ষেপে সাহায্য করে আসছে | এককথায় এখন সবক্ষেত্রেই পুলিশ কর্তাদের একমাত্র সহায়-সম্বল এই সিভিক ভলান্টিয়াররাই |
কিন্তু বিরোধী দলগুলি বার বার কমিশনের কাছে অভীযোগ জানানোর জেরেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন | কারণ বিরোধী দলগুলি জানায় যে,এই সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব | যার দরুণ তাঁরা নির্বাচনে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে না বলে দাবী | রাজ্য পুলিশের এক আধিকারিকের বক্তব্য যে,”কমিশন সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার নির্বাচনী কাজে নিষিদ্ধ করেছে |কিন্তু , ট্রাফিক বা থানার অন্য কাজে ব্যবহার করার জন্য কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেননি | “
দক্ষিনবঙ্গের এক থানার ওসি এই কথার বিরোধিতা করে বলেন যে,” আমার থানার এলাকা প্রায় 330 বর্ঘকিমি এলাকা নিয়ে | এর মধ্যে নয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং একটি পুরসভাও রয়েছে | এই বিস্তির্ণ এলাকা রক্ষণাবেক্ষনের জন্য সামগ্রিকভাবে যথেষ্ট পুলিস না থাকায় একমাত্র ভরসা নিতে হয় প্রায় সাড়ে তিনশো সিভিক ভলান্টিয়ারদের উপর | তারাই গ্রামে গ্রামে টহল দেয়,ট্রাফিক সামলায়,অন্যান্য সব ক্ষেত্রেই সাহায্য নিতে হয় এদের | ফলে সিভিকদের সাহায্য ছাড়া রোজকার কাজ চালানো সম্ভব নয় | “
উক্ত আধিকারিকের কথায় তিনি এ ও বলেন যে,”নির্বাচনের সময় আইন শৃঙ্খলা সম্পর্কিত যে কাজকর্ম থাকে তা অনেকাংশেই নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট |” পূর্ব মেদিনীপুরের এক থানার আধিকারিক বলেন,” নির্বাচনের সময় বিশেষ নাকা চেকিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের তল্লাশির কাজ থাকে| কোনও দল বা প্রার্থী নিয়ম ভাঙলে কমিশনের নির্দেশ অনুসারে পুলিশকে অনেক কাজ করতে হয় আইন শৃঙ্খলা সম্পর্কীত | সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবহার না করলে বড়সড় সমস্যা হবে “| অবশ্য একই কথা উত্তর 24 পরগনার এক পুলিশ কর্তারও | তিনি বলেন,”কর্তারাও জানেন থানার কম্পিউটার অপারেটর হিসেবেও কাজ করানো হয় সিভিকদের দিয়ে ,মেইল চেকও তারাই করে থাকে” |আবার বীরভূমের একটি থানার বড়বাবু বলেন,” আমার থানা এলাকায় রাজনৈতিক গন্ডগোল রোজকার ঘটনা,এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে তাদের রাস্তা দেখানোর জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ অফিসারও আমার নেই “|
জেলার একাধিক পুলিশ সুপার এই সিভিক ভলান্টিয়ার নির্ভরতা যথেষ্ট সমস্যার বলে মেনে নিয়েছেন | তাই তারা অতিরিক্ত বাহিনীর আবেদন জানিয়েছেন| যদিও এক পুলিশ আধিকারিক বলেন যে, ” অতিরিক্ত বাহিনী এলেও এলাকার সাথে তাদের কোনও পরিচিতি না থাকায় সমস্যা থেকেই যাবে “|
গতবছর পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিভিকরাই সামলে নিয়েছিল পুলিশের ক্যুইক রেসপন্স টিম থেকে শুরু করেমর্নিং ভিউ :– 2019,লোকসভা নির্বাচনে এবার নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিষেধাজ্ঞা রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়ারদের প্রতি | এই আদেশ রাজ্যের পুলিশ কর্তাদের চরম বিপাকের মুখে টেনে আনে | নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞায় রাজ্যের বেশিরভাগ অফিসার ইন চার্জদের কপালে চিন্তার বলিরেখা পড়তে শুরু করেছে | অধিকাংশের প্রশ্ন যে, নির্বাচন চলাকালীন থানার কাজ চালানো সম্ভব হবে কীভাবে ?
হিসাব অনুযায়ী , রাজ্যে প্রায় এক লক্ষ সাতাশ হাজার সিভিক ভলান্টিয়াররাই এই মূহুর্তে সরকারীভাবে গ্রামীন নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার রক্ষাকবচ | যান নিয়ন্ত্রণ থেকে মালখানার হিসেব রাখা ,সেরেস্তার কাজ বা থানার কম্পিউটার অপারেটরের কাজ,অপরাধীদের তুলে আনার কাজ অফিসারদের সাথে থেকে ইত্যাদী বিভিন্নমূখী পদক্ষেপে সাহায্য করে আসছে | এককথায় এখন সবক্ষেত্রেই পুলিশ কর্তাদের একমাত্র সহায়-সম্বল এই সিভিক ভলান্টিয়াররাই |
কিন্তু বিরোধী দলগুলি বার বার কমিশনের কাছে অভীযোগ জানানোর জেরেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন | কারণ বিরোধী দলগুলি জানায় যে,এই সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগের পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব | যার দরুণ তাঁরা নির্বাচনে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে না বলে দাবী | রাজ্য পুলিশের এক আধিকারিকের বক্তব্য যে,”কমিশন সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার নির্বাচনী কাজে নিষিদ্ধ করেছে |কিন্তু , ট্রাফিক বা থানার অন্য কাজে ব্যবহার করার জন্য কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেননি | “
দক্ষিনবঙ্গের এক থানার ওসি এই কথার বিরোধিতা করে বলেন যে,” আমার থানার এলাকা প্রায় 330 বর্ঘকিমি এলাকা নিয়ে | এর মধ্যে নয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং একটি পুরসভাও রয়েছে | এই বিস্তির্ণ এলাকা রক্ষণাবেক্ষনের জন্য সামগ্রিকভাবে যথেষ্ট পুলিস না থাকায় একমাত্র ভরসা নিতে হয় প্রায় সাড়ে তিনশো সিভিক ভলান্টিয়ারদের উপর | তারাই গ্রামে গ্রামে টহল দেয়,ট্রাফিক সামলায়,অন্যান্য সব ক্ষেত্রেই সাহায্য নিতে হয় এদের | ফলে সিভিকদের সাহায্য ছাড়া রোজকার কাজ চালানো সম্ভব নয় | “
উক্ত আধিকারিকের কথায় তিনি এ ও বলেন যে,”নির্বাচনে সেক্টর মোবাইল –সব ক্ষেত্রেই | বিগত দিনে হাওড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে সিভিক থাকায় শাস্তি পেতে হয়েছিল এক পুলিশ আধিকারীকের |

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *