অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মিসাইল সহ একঝাঁক শত্রু সেনাকে ধ্বংস করার অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র আবিষ্কারের দাবি বাগদার কলেজ ছাত্রের।

নিজের আবিস্কৃত যুদ্ধাস্ত্র প্রদর্শন অভিষেকের-1

মর্নিং ভিউ রিপোর্ট : উত্তর ২৪পরগনা জেলার বাগদা ব্লকের সীমান্তবর্তী রণঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের আউলডাঙা গ্রামের ছেলে অভিষেক নিজের প্রচেষ্টায় বানিয়ে ফেললো ২২০০ কিঃমিঃ দুরের এর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মিসাইল এবং কোন প্রকার সেনাবল ছাড়া একঝাঁক শত্রু সেনাকে ধ্বংস করার অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র। খুবই গরীব পেশায় কর্মকার বাবার কলেজ পড়ুয়া ছেলের এহেন আবিষ্কারে খুশি তার শিক্ষকেরা গর্বিত এলাকাবাসীরাও।

অভিষেকের আবিস্কৃত মিশাইল ।

আবিষ্কারোক অভিষেক সরকারের দাবি সরকারী সহযোগিতা পেলে সে আরও বড় ধরনের আবিষ্কারে মনোনিবেশ করতে পারতো। অভিষেক জানায়, সে আরও একটা নতুন প্রজেক্টের কাজ শুরু করেছে। যা কোন দুষ্কৃতিকারীর বা শত্রু পক্ষের ব্যাবহৃত গাড়ি রাস্তায় আটকে দিতে বা ধরতে কোন লোকবল ছাড়া শুধুমাত্র তার তৈরী যন্ত্রই যথেষ্ট হবে। এমনটাই দাবি আবিষ্কারক অভিষেক সরকারের।অভিষেক বর্তমানে হেলেঞ্চা ড.বিআরআম্বেদকর শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের দ্বিতীয়ষবর্ষের কলা বিভাগের ছাত্র।

অভিষেকের প্রথম স্বীকৃতি

পারিবারে সাংসারিক অসচ্ছলতার জন্য ইচ্ছা থাকলেও সাইন্স নিয়ে পড়তে পারিনি সে।বাবা অরুন কুমার সরকার পেশায় কর্মকার, লোহার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তার মা প্রমিলা সরকার একজন গৃহিণী।ওর আশাবাদী গর্ভধারিণী আজো পথের দিকে চেয়ে থাকে এই ভেবে যে, এই বোধ হয় গেঁয়ো পথের বাতাসে ভেসে আসবে তাঁর প্রানের ধন অভিষেকের এসকল অসামান্য আবিস্কারের জন্য প্রাপ্য মর্যাদা প্রাপ্তির বার্তা। কিন্তু আমাদের সমাজে মনুষ্যত্বের মৃত্যু হওয়া জীবন্ত মানুষগুলোর কাছ থেকে কবে আসবে সেই ডাক ?

হেলেঞ্চা কলেজের দ্বিতীয়ষবর্ষের ছাত্র অভিষেক সরকার ।

বাবা অরুন কুমার সরকার বলেন, ছেলের সদিচ্ছার মুল্য দিয়ে সীমিত উপার্জনের মধ্য দিয়েও তার গবেষণায় যতটা সম্ভব সহযোগিতা করে যাচ্ছি যদিও আমার এই সহযোগিতা হয়তো প্রয়োজনের তুলনায় মোটেও যথেষ্ঠ নয়। অনেক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন ওর শিক্ষকরাও। প্রয়োজন মত টাকার যোগান হয়তো আমরা দিতে পারিনা তাই বলে ওর চলার পথের আলোর যোগান দিতে আমাদের আশির্ব্বাদ প্রদানে ঘাটতি রাখিনি কখনো।তার পরেও গুরুজনদের আশির্ব্বাদপুষ্ট গ্রাম্য তরুণ আবিষ্কারক পড়ুয়া অভিষেক সরকারের বক্তব্য, ওগো দেশমাত্রিকা, তোমার চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে, নিয়ো না, নিয়ো না সরায়ে, জীবন মরণ সুখ দুখ দিয়ে বক্ষে ধরিব জড়ায়ে ।।

One thought on “অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মিসাইল সহ একঝাঁক শত্রু সেনাকে ধ্বংস করার অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র আবিষ্কারের দাবি বাগদার কলেজ ছাত্রের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *