আপ্যায়ন ও শৃঙ্খলাপরায়নতায় শ্রেষ্ঠত্বরে দাবি বাগদার এগিয়ে চল সংঘের

বস্ত্রদান কর্মসূচী

মর্নিং ভিউ রিপোর্ট : বাগদা, গ্রামের সার্বজনীন কালী পূজো তথা মাতৃ আরাধনা কেমন হয় ? তাঁরা মাতৃ আরাধনা করতে কোন দিকটাতে বেশি খেয়াল রাখেন ? দামী প্যান্ডেল ? সুদৃশ্য প্রতিমা ? না হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার বাঁধনে গ্রামের সকলকে এক সুঁতোই বেঁধে পূজোর দিন কটা মহানন্দে কাটানোর মহৎ উদ্যোগ নেয় গ্রামের মানুষেরা জানতে মর্নিং ভিউ টিম পৌঁছে গিয়েছিল পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশ থেকে প্রায় ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে অবস্থিত বাগদা পশ্চিম পাল পাড়ার ‘এগিয়ে চল সংঘের’ পূজো মন্ডবে। সেখানে যেয়ে দেখা গেল প্রতিমা বা প্যান্ডেলের জৌলুস না থাকলেও পূজোর দিনটাতে চলছে অমৃতসম পনির খিচুড়ি প্রদান উৎসব।

জৌলুসহীন প্যান্ডেল

গোটা গ্রামের লোক আন্তরিক ভাবে যোগ দিয়েছে এই উৎসবে। বহিরাগত দর্শনার্থীদেরও ছাড় নেই প্রসাদ গ্রহন করতেই হবে। রীতিমত চেয়ার টেবিল পেতে আন্তরিকতার সাথে যত্ন সহকারে অতিথি আপ্যায়নের ব্যাবস্থা। পাশের মঞ্চে পূজো কমিটির সভাপতি সীতানাথ পাল সম্পাদক সন্যাসী পাল, শিবুপদ পাল, গোপাল পাল সহ পাড়ার বয়স্ক ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে চলছে এলাকার গরীব ও দুস্থ মানুষের মধ্যে বস্ত্র ও কম্বল বিতরণ পর্ব। ছিল এলাকার কচিকাঁচাদের অংশ গ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। সবমিলিয়ে অরণ্যে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে “এগিয়ে চল সংঘের” অনবদ্য এই পূঁজোতে হয়তো উপচে পড়া ভিড় নেই, নেই জৌলুসে ভরা প্যান্ডেল বা প্রতিমা। কিন্তু আগত দর্শনার্থীদের অসামান্য আপ্যায়ন ও এলাকাবাসীর শৃঙ্খলাপরায়নতা মুগ্ধ করবেই তা জোর দিয়ে বলা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *